বরিশাল/News বরিশালের সর্বশেষ সংবাদ
Showing posts with label জাতীয়. Show all posts
Showing posts with label জাতীয়. Show all posts

Monday, February 24, 2025

সারা দেশে যৌথবাহিনীর টহল

 

সারা দেশে যৌথবাহিনীর টহল


বিস্তারিত লিংক: 

জাতীয় নির্বাচনে অটল বিএনপি

 

জাতীয় নির্বাচনে অটল বিএনপি

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচনে অটল দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি। স্থানীয় নির্বাচন কিংবা সংস্কারের নামে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের টালবাহানা মেনে নেবে না দলটি।

আগামী অক্টোবরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা চান নেতারা। প্রয়োজনে দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে সারা দেশে একের পর এক কর্মসূচি পালন করা হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যেই হাইকমান্ড থেকে সর্বস্তরে পরিষ্কার নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আইনজীবীদের কর্মশালায় বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান দায়িত্বই হচ্ছে- যতদ্রুত সম্ভব জাতিকে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, সুন্দর জাতীয় নির্বাচন উপহার দেওয়া।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আগে স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রশ্নই আসে না। শুধু স্থানীয় সরকার নয়, জাতীয় নির্বাচনের আগে অন্য কোনো ধরনের নির্বাচন হবে না।

সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য নেতাদের সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনোক্রমেই দেশে স্থানীয় নির্বাচন চায় না বিএনপি। দলটির এই অবস্থানের কথা অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) তারা এরই মধ্যে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে।

স্থানীয় নির্বাচন বিএনপি আগে না চাওয়ার বিষয়ে দলের শীর্ষ নেতারা কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছেন। তাদের মতে, এর প্রধান কারণ দলীয় প্রতীকবিহীন স্থানীয় নির্বাচন আগে হলে পতিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার ক্ষেত্রে এটাকে সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফরম হিসেবে কাজে লাগাতে পারে। ফলে দেশজুড়ে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হবে। যা সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এটি সরকারের যে মূল ফোকাস জাতীয় নির্বাচন, সেই প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করতে পারে।

বিএনপি নেতারা মনে করেন, পতিত ফ্যাসিবাদের দোসরদের নানামুখী ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় অবিলম্বে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই হতে পারে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ।

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন না চাওয়ার বিষয়টি আমাদের দলীয় নীতিগত সিদ্ধান্ত। আইনি এবং সাংবিধানিক বিষয়াবলি বিবেচনায় নিয়ে জাতির বৃহত্তর স্বার্থে বিএনপি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা যদি অগ্রাধিকার ঠিক না করি, দেশে একটি ব্যাপক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। তাছাড়া দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যই মানুষ দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। আর সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। দেশে এ ধরনের সরকারের অধীনে অতীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কোনো নজির নেই।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামছুজ্জামান দুদু বলেন, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের টালবাহানা চলবে না। দরকার হলে রাজপথে কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে। তবুও এ বছরেই জাতীয় নির্বাচন আদায় করা হবে।

বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট আবদুুস সালাম আজাদ এ প্রসঙ্গে বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রের জন্য দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে, যেটি আগামী সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে স্থানীয় নির্বাচনের কথা মাথায় আনা যাবে না। কারণ পতিত আওয়ামী লীগ গর্তের ভিতর মাথা লুকিয়ে রেখেছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে তারা আবারও মাথাচাড়া দেবে। তাই আওয়ামী লীগকে সেই সুযোগ দেওয়া যাবে না।


Saturday, February 22, 2025

নতুন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ ছয়টি পদে আলোচনায় যারা

 

নতুন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ ছয়টি পদে আলোচনায় যারা




ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ। এদিকে, নতুন দলের নেতৃত্বে কে বা কারা আসছেন এ নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই রাজনীতি সচেতন ব্যক্তিদের। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে যে কয়জন তরুণ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন তারাই থাকছেন নতুন এই রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বের অগ্রভাগে- এমনটা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জানা গেছে, নতুন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ ছয়টি পদে কারা আসছেন, তা অনেকটাই চূড়ান্ত। দলের সাংগঠনিক কাঠামোতে 'সমঝোতার' ভিত্তিতে নতুন দুটি পদও সৃষ্টি করা হচ্ছে। আহ্বায়ক, সদস্যসচিব, মুখপাত্র এবং মুখ্য সংগঠকের পাশাপাশি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিবের নতুন দুটি পদ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। 



এনআইডি জালিয়াতি: ছয় কর্মচারীকে বরখাস্ত করল ইসি

 

এনআইডি জালিয়াতি: ছয় কর্মচারীকে বরখাস্ত করল ইসি




জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতিতে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলায় ছয় কর্মচারীকে বরখাস্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তারা এনআইডি সংশ্লিষ্ট আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহ্যান্সিং একসেস টু সার্ভিসেসের (আইডিইএ) দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রকল্পে কর্মরত ছিলেন।

আইডিইএ দ্বিতীয় পর্যায় প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক (প্রশাসন) মেজর মাহমুদুল হাসান তালুকদার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ থেকে বিষয়টি জানা গেছে।


Friday, February 21, 2025

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আজ

 অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আজ



অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আজ। চতুর্দিকে বেজে ওঠা ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/ আমি কি ভুলিতে পারি’ গানের সুমধুর সুর এ দিনের জানান দিচ্ছে। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য বুকের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করেছিলেন এ দেশের ছাত্র-তরুণরা। সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউর, অহিউল্লাহদের এই আত্মত্যাগ পৃথিবীর ইতিহাসে অনন্য উদাহরণ। এই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাকে তৎকালীন পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

শুধু তাই নয়, ভাষার জন্য একটি জাতির অসাধারণ এই ভালোবাসাকে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থাও (ইউনেস্কো)। ১৯৯৯ সালে এই সংস্থাটি একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। এর পর থেকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে একযোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে।

এই ভূখণ্ডে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের প্রথম সূত্রপাত ঘটেছিল ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি করাচিতে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানি গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে। এর মূল নায়ক ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের কংগ্রেস দলীয় সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। তিনি ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে পরিষদীয় ভাষা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তার বক্তব্য ছিল, ‘পাকিস্তানের ৬ কোটি ৯০ লাখের মধ্যে বাংলা ভাষার মানুষ ৪ কোটি ৪০ লাখ। এদিক থেকে বাংলা ভাষা পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হওয়া দরকার।’

এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে পরিষদের নেতা লিয়াকত আলী খান বলেছিলেন, ‘পাকিস্তানের ভাষা মুসলিম রাষ্ট্রের ভাষা হবে।

এর তিন দিন আগে ২০ ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের প্রতি অবিচারের প্রতিবাদ করেছিল তমদ্দুন মজলিস রাষ্ট্রভাষা সাব-কমিটি ও পূর্ব পাকিস্তান মোছলেম ছাত্রলীগ। পাকিস্তানের মুদ্রা, টিকিট, মানি অর্ডার ফরম, নৌ ও অন্যান্য বিভাগে নিয়োগের জন্য টেস্ট পরীক্ষায় বাংলা ভাষা বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে দাঁড়িয়েছিলেন তারা।

পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দুর প্রতিবাদে মার্চের প্রথম সপ্তাহে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বিভাগীয় শহরের কলেজ, স্কুলগুলোতে বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভ-প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিলেন। পুলিশের লাঠিচার্জে পূর্ব বাংলার সাবেক প্রধানমন্ত্রী এ কে ফজলুল হকসহ প্রায় ৫০ জন আহত হয়েছিলেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ভাষা আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ পায় ১৯৫২ সালে। ভাষার দাবিতে ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। সেদিন ভোরবেলায় ছা্ত্রছাত্রীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় সমবেত হয়েছিলেন। সভা-মিছিল বন্ধ করার জন্য সরকার ১৪৪ ধারা জারি করে। আব্দুল মতিনের নেতৃত্বে ছাত্রছাত্রীরা ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেন। আমতলায় গাজীউল হকের সভাপতিত্বে সকাল ১১টার দিকে সাধারণ ছাত্রসভা শুরু হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ১০ জন করে শিক্ষার্থীর এক একটি দল মিছিল নিয়ে বের হবেন।

এদিকে পুলিশ লাঠি হাতে কর্ডন করে ফটকে দাঁড়িয়ে আর বাকিরা রাইফেল হাতে পজিশন নিয়ে অবস্থান নিয়েছিল। পুলিশি তৎপরতার মুখে গ্রেপ্তার এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা প্রতিটি দলের সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন। হালিমা খাতুন, রওশন আরা বাচ্চু, সাফিয়া খাতুন স্কুল শিক্ষার্থীদের নিয়ে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে বেরিয়ে এসেছিলেন। প্রথম ও দ্বিতীয় দলের ছাত্রদের পুলিশ ট্রাকে তুলে নেয়। আপসহীন বিক্ষুব্ধ ছাত্রছাত্রীদের ধাক্কায় পুলিশ কর্ডন ভেঙে যায়। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় পুলিশের লাঠিচার্জ।

তৎকালীন পত্রপত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, বিকেল প্রায় ৩টার দিকে মিছিল মেডিকেল কলেজের মোড়ে পৌঁছলে জেলা প্রশাসক কোরেশীর নির্দেশে পুলিশ অবিরাম গুলিবর্ষণ করেছিল। পুলিশের গুলিতে সেদিন শহীদ হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমএ ক্লাসের ছাত্র মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন, আব্দুল জব্বার, আবুল বরকত এবং বাদামতলী কমার্শিয়াল প্রেসের মালিকের ছেলে রফিকউদ্দীন আহমদ (২৭) মারা যান। তবে পরবর্তীকালে সালাহউদ্দীন সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

একুশে ফেব্রুয়ারি গুলিতে ছাত্রদের মৃত্যুসংবাদে বাংলা ভাষার প্রাণের দাবি সারা দেশে স্ফুলিঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়ে। ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় প্রতিবাদ মিছিলে গুলি চালানো হলে নিহত হন আবদুস সালাম, সফিউর রহমান ও কিশোল অহিউল্লাহ।

এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়।

১৯৫২ সালের অবিস্মরণীয় সেই ঘটনার পর প্রতি বছর একুশে ফেব্রুয়ারিকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেওয়ার পর একই সঙ্গে পালিত হচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’।

 


Powered by Blogger.